মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

উপজেলা প্রশাসনের পটভূমি

নাচোল উপজেলা প্রশাসনের পটভূমিঃ ১৯৪৭খ্রি: দেশ বিভাগের সময় র‌্যাডক্লিক রোয়েদাদ অনুসারে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও তার পার্শ্ববর্তী শিবগঞ্জ,নাচোল, ভোলাহাট ও গোমস্তাপুর থানাকে মালদহ থেকে আলাদা করে পূর্ব পাকিস্তানের রাজশাহী জেলার অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এছাড়া ১৯৪৭ সালের ১৫ আগষ্ট নাচোল রাজশাহী জেলার অন্তর্ভুক্ত হয় । ১৯৮৩সালে ৭নভেম্বর নাচোল থানা উপজেলায় মনোনীত হয় এবং ১৯৮৪সালে ২৪মার্চ নাচোল উপজেলায় ৪টি ইউনিয়ন নিয়ে নবগঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার অন্তর্ভুক্ত হয়।

        নাচোল উপজেলার অবস্থান উত্তর অক্ষাংশের মাঝামাঝি ২৪º৪৮´এবং ২৪º৪0´এবং পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মাঝামাঝি ৮৮º১৬´এবং ৮৮º২৮´। এ উপজেলার উত্তরে গোমস্তাপুর ও নিয়ামতপুর উপজেলা, দক্ষিনে নবাবগঞ্জ সদর ও তানোর উপজেলা,পূর্বে নিয়ামতপুর ও রাজশাহীর তানোর উপজেলা,পশ্চিমে গোমস্তাপুর, শিবগঞ্জ উপজেলা ও মহানন্দা নদী।

      তিন অক্ষরে ছোট্র একটি নাম নাচোল । কিন্তুএর নামকরণের সঠিক ও নির্ভরযোগ্য ইতিহাস আজও জানা যায়নি। যেটুকু জানা যায় তা অনুমান নির্ভর, তথ্যভিত্তিক নয়। মনে করা হয় আজ থেকে দুশো বছরেরও বেশী সময় আগে ১৭৯৩ এ লর্ড কর্ণওয়ালিশের চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সময় এ এলাকার নামকরণ হয়েছিল । ধারণাটি আরও ষ্পষ্ট হয় ১৮১৩ সালে, যখন মালদহ জেলা গঠিত হয়। এ জেলার তৎকালীন থানার তালিকায় নাচোলের অন্তর্ভুক্তি হয় এরূপ ধারনার মুখ্য কারণ। এছাড়া মালদহ জেলার ইতিকথা গ্রন্থে নাচোল নামকরণের কিছু বিবরণো আছে। সে অনুযায়ী হিন্দু ও আদিবাসী সাঁওতাল অধুষিত এ এলাকায় প্রায়ই নাচের আসর হতো। মনোরঞ্জন বা চিত্ত বিনোদনের উদ্দেশ্যে এলাকার জমিদাররা এ নাচের আসর হতো । আর এই নাচে অংশ গ্রহণের জন্য বিভিন্ন গ্রাম থেকে দলবেঁধে ছুটে আসতেন সাঁওতাল রমনীরা; থানা কিংবা ডাক বাংলোয় । এই নাচে চল শব্দ থেকেই নাকি অশিক্ষিত বা অদক্ষ উচ্চারণে প্রথমে নাচচল এবং পরে বিবর্তিত আকারে নাচোল নামের উৎপত্তি। কিন্তু জন্মই আমার আজন্ম পাপ এর মতই তার নিজের নামটাই নিজের কাছে বিদ্রুপের বিষয় হয়ে দাঁড়াই। বিভিন্ন ক্ষেত্রে নাচোলের অনগ্রসরতা তার নামের সাথে একাত্ন হয়ে যায়। বিষয়ভিত্তিক নাচোলের ব্যর্থতা বা অসমর্থতাকে কৌতুহলী ও রসিকজনেরা এভাবে ব্যঙ্গ করতে থাকেন অচল তাই নাচোল।